ফরিদপুর প্রতিনিধি :
বৈশ্বিক দুয়োর্গ করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে ফরিদপুরের সব মানুষই স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসতবাড়িতে রয়েছে। তবে অতীব প্রয়োজনে কাউকে না কাউকে বাইরে আসতেই হচ্ছে। বিশেষ করে জুরুরী চিকিৎসা সেবার জন্য কারো কারো হাসপাতালে আগমন। রোগীর সাথে স্বজনও আসতে হয়। আসতে হয় গাড়ি চালককেও। আবার জরুরী খাদ্য বা জরুরী অন্যান্য সামগ্রীর প্রয়োজনেও কাউকে বাইরে বের হতে হয়। যারা বাইরে বের হয় তাদের সবারই বাড়ি শহরে বা শহরের সন্নিকটে নয়। কারো করো বাড়ি বেশ দূরে। চলমান রমজান মাসে এসব ভ্রমণরত (মুসাফির)দের জন্য ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার ইফতারীর আয়োজন করেছেন। সপ্তাহে একদিন করে চলছে এ আয়োজন। মুসাফিরদের জন্য রাস্তায় ঘুরেঘুরে প্রদান করা হচ্ছে ইফতারী।
রমজানের শুরু থেকেই সাপ্তাহিক এ কাযর্ক্রম আরম্ভ হয়েছে। আজ রবিবার, ১৭ মে, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ ছিল তৃতীয় সপ্তাহ। আজকে শহরের মুজিব সড়কের জনতা ব্যাংক মোড়, আলীপুর মোড়, তিতুমীর বাজারেরর তরকারি পট্টির শুরুতে ও ভাঙ্গা রাস্তায় এসব ইফতারী রোজাদার মুসাফিরদের প্রদান করা হয়।
ইফতারীর পূর্বে (বিকেল ৫.০০ টায়) ইফতারী পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন আসমত শেখ। তিনি বলেন, ‘আমি অসুস্থ- পায়ের নখ (আঙ্গুল) ব্যাথা, একটা রিক্সা রিজার্ভ করে কানাইপুরথ্যে আইসা ডাক্তার দেখাইয়া বাড়ি যাইতেছি। আমি রোজা আছি। খাবারের হোটেল বন্ধ থাকায় চিন্তা করছিলাম ইফতারী করবানি কোথায়। আল্লা মিলায় দিছে। ডিসি সাবের জন্নি আমি দোয়া করি।’ প্রতিবন্ধী স্বামীকে নিয়ে ফরিদপুরের একটি বেসরকারি হাসাপাতালে এসেছিলেন এক প্রতিবন্ধী নারী। সাথে নিয়ে এসেছিলেন একজন রিক্সা চালক। তিনজনে ইফতারীর তিনটি প্যাকেট পেয়ে দারুন খুশি। প্রতিবন্ধী নারী বললেন, ‘ইফতারী পাইয়া আমাগো খুব উপকার হইছে।‘
বৈশ্বিক দুয়োর্গ করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে ফরিদপুরের সব মানুষই স্বাস্থ্যবিধি মেনে বসতবাড়িতে রয়েছে। তবে অতীব প্রয়োজনে কাউকে না কাউকে বাইরে আসতেই হচ্ছে। বিশেষ করে জুরুরী চিকিৎসা সেবার জন্য কারো কারো হাসপাতালে আগমন। রোগীর সাথে স্বজনও আসতে হয়। আসতে হয় গাড়ি চালককেও। আবার জরুরী খাদ্য বা জরুরী অন্যান্য সামগ্রীর প্রয়োজনেও কাউকে বাইরে বের হতে হয়। যারা বাইরে বের হয় তাদের সবারই বাড়ি শহরে বা শহরের সন্নিকটে নয়। কারো করো বাড়ি বেশ দূরে। চলমান রমজান মাসে এসব ভ্রমণরত (মুসাফির)দের জন্য ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার ইফতারীর আয়োজন করেছেন। সপ্তাহে একদিন করে চলছে এ আয়োজন। মুসাফিরদের জন্য রাস্তায় ঘুরেঘুরে প্রদান করা হচ্ছে ইফতারী।
রমজানের শুরু থেকেই সাপ্তাহিক এ কাযর্ক্রম আরম্ভ হয়েছে। আজ রবিবার, ১৭ মে, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ ছিল তৃতীয় সপ্তাহ। আজকে শহরের মুজিব সড়কের জনতা ব্যাংক মোড়, আলীপুর মোড়, তিতুমীর বাজারেরর তরকারি পট্টির শুরুতে ও ভাঙ্গা রাস্তায় এসব ইফতারী রোজাদার মুসাফিরদের প্রদান করা হয়।
ইফতারীর পূর্বে (বিকেল ৫.০০ টায়) ইফতারী পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন আসমত শেখ। তিনি বলেন, ‘আমি অসুস্থ- পায়ের নখ (আঙ্গুল) ব্যাথা, একটা রিক্সা রিজার্ভ করে কানাইপুরথ্যে আইসা ডাক্তার দেখাইয়া বাড়ি যাইতেছি। আমি রোজা আছি। খাবারের হোটেল বন্ধ থাকায় চিন্তা করছিলাম ইফতারী করবানি কোথায়। আল্লা মিলায় দিছে। ডিসি সাবের জন্নি আমি দোয়া করি।’ প্রতিবন্ধী স্বামীকে নিয়ে ফরিদপুরের একটি বেসরকারি হাসাপাতালে এসেছিলেন এক প্রতিবন্ধী নারী। সাথে নিয়ে এসেছিলেন একজন রিক্সা চালক। তিনজনে ইফতারীর তিনটি প্যাকেট পেয়ে দারুন খুশি। প্রতিবন্ধী নারী বললেন, ‘ইফতারী পাইয়া আমাগো খুব উপকার হইছে।‘
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন